মেষপালক
গল্প

মজিদের মোহন জীবন

মেসের মেঝেতে পাড়া নোংরা বিছানায় বসে নিজের মাথাটা চেপে ধরে মজিদ। যে তাকিয়ে থাকতেই পারছে না, সে অফিসে যাবে কীভাবে?

রাশেদ সাদী

১১ মিনিটে পড়া

মজিদের মোহন জীবন

এখন রাত বারোটা। পৃথিবীর কোথাও হয়তো কেউ বোমার আঘাতে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। কোথাও কেউ অসুখের যন্ত্রণায় মৃত্যু কামনা করছে। কেউ তার সঙ্গীর ঊরুতে আদর করছে। কেউ ঘুমিয়ে গেছে রাস্তার পাশে, দেখছে অদ্ভুত এক পরিরাজ্যের স্বপ্ন। কেউ ঘুমের জন্য করছে আহাজারি। কোথায় হয়তো একটা পোকা তার ডিমে তা দিচ্ছে। কোথাও ব্যাঙ মুখে নিয়ে গেলার কসরত করছে সাপ। কোথাও কেউ বসে বসে হিসাব কষছে—আগামীকাল যদি বেতন পাই, তিনজনের ধার শোধ করে হাতে যা থাকবে তাতে আবার না ধার নিতে হয়!

ধারের এই অনন্ত চক্রে পিছমোড়া করে পড়ে গেছে মজিদ। ছোটখাটো চিকন-চাকনা শরীরের ওপর তার ছোট্ট মাথাটাই যত ঝামেলা। দোষ সে ওই মাথাকেই দেয়। থেকে থেকে যেন কাজ করে না টেনিস বলটা। তা আবার ব্যথায় ছিঁড়ে যাচ্ছে। রাতটা যে কী করে পার হবে!

আকাট একটা, শুয়োর! গুমরে ওঠে মজিদ। ধারটা আসলে হতো না মজিদের। আচমকা এমন ডায়রিয়া শুরু হলো যে অযথাই কতগুলো টাকা ধার নিতে হলো। টেস্ট-মেস্ট, স্যালাইন-ম্যালাইন কত কী! পাতলা পায়খানার সাথে দেখতে দেখতে টাকাগুলো নেমে গেল। বোঝাই গেল না। বোঝা গেল যখন সেই ধার শোধের সময় এলো। যেটুকু বেতন, তাতে সে বাড়িতে পাঠাবে কী, নিজের জন্য রাখবে কী আর ধারই বা শোধ করবে কী দিয়ে?

কিন্তু অসুখ বলে-কয়ে আসে না। নিজের খুশিমতো আসবে, একটা দুর্বল শরীর দেখে বসবে, হম্বিতম্বি করবে এবং ধরাশায়ী করে চলে যাবে। এই হলো অসুখ আসার রীতি। মজিদ তার ব্যতিক্রম হবে কেন?

আর এভাবেই মজিদকে ঢুকে পড়তে হলো ধারের অন্তহীন চক্রে। জ্যামজুম, ধুলাবালি আর কংক্রিটের কাটাবনের এই শহরে কিছু মানুষের জীবন এমনই। সুতার ওপর দিয়ে চলে, যেনবা পুলসিরাত। নিচে লকলকে জিভ বাড়িয়ে প্যাঁচিয়ে ধরার অপেক্ষায় বসে আছে ধার। যে একবার পড়েছে সেই ডেড চক্রে, সে মরেছে। যেমন আমাদের এই মজিদ।

অবশ্য যাদের ধার পাওয়ার জায়গা আছে কেবল তারাই এই অসুবিধাজনক সুবিধাটা পেতে পারে। কারণ এই নির্দয় শহরে বেশিরভাগ মানুষের কপালে এই সুযোগ হয় না। সবাই একেকটা অনন্ত গভীর কাটা খাদ দিয়ে হেঁটে চলেছে। কেউ কাউকে ছুঁতে পারে না, ধরতে পারে না। মানুষ বলতে এই শহরে বাস করে একটা সংখ্যা; যা আবার কোটির ঘরে গিয়ে শেষ হয়েছে। আদতে কি শেষ হয়েছে?

এই কোটি মানুষের শহরে যে গুটিকয় মানুষের ধারের সৌভাগ্য হয়—তাদেরই একজন মজিদ। তার ধার নেওয়ার জায়গা আছে বটে, কিন্তু নেই ধার শোধ করার মতো যথেষ্ট সংগতি। ফলে দুর্ভাগার এই অনন্ত চক্রে সেঁধিয়ে যাওয়ার পথ খোলা আছে ঠিকই, সেই পথে দুর্ঘটনাক্রমে সে সেঁধিয়েও গেছে, এখন সে বেরোনোর পথ খোঁজে। কিন্তু সেই পথ কি সে পাবে, মৃত্যু অবধি?

রোগাপটকা শরীরে একটা অফিসে সে বারো ঘণ্টা খাটে। হাজার বিশেক টাকা আসে। মোটে বিশ! যুদ্ধের বাজারে সবকিছুর মূল্য বাড়ন্ত। আগে যা ছিল পঞ্চাশ টাকা, সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ডবল। কোনো কোনোটা তারও বেশি। অথচ বেতন তো আর বাড়ে না। এ থেকেই কিছু পরিবারকে দেয়, বাকিটায় থাকা-খাওয়া, মেস ভাড়া। অবশিষ্ট থাকে শুধু ধারের দরজা—সেটা তো সবসময়ই খোলা। কিন্তু মজিদ এতদিন পর্যন্ত সেই পথ ভুলেও মাড়ায়নি। তার ছোট্ট মাথায় এই অঙ্ক পাকাপাকিভাবে পাতা আছে যে, ওটা একটা ফাঁদ। ও পথ মাড়াতে নেই। কিন্তু মানুষ যা চায়, প্রকৃতি যেন স্বভাবতই বিপরীতে চলতে পছন্দ করে।

মজিদের পরিবার বলতে বউ-বাচ্চা। বাড়িতে পরিবার তিনটা—বড় ভাইয়ের, তার আর বাবা-মায়ের। টাকা দেয় শুধু একটা পরিবারে, নিজের বউ-বাচ্চাকে। বাবা-মাকে দেওয়া তার পক্ষে সম্ভব হয় না। এতে সমাজের চোখে সে দুষ্ট হিসেবে ইতোমধ্যে স্বীকৃতি কামিয়ে ফেলেছে। দেখা হলে গায়ের মুরুব্বি ঠেস দিয়ে বলে—

“পোলা একখান তুমি? ঢাকায় থাকো, অথচ বাবা-মার দিকে চাইয়া দেখো না। নিজের একটা আছে না? বুঝবা একদিন।”

মজিদ বুঝতে পারে না, আর কত তাকে বুঝতে হবে! মাথাটা তো তার ছোট! তাতে আবার প্রচণ্ড ব্যথা!

বাবা-মার খুব কষ্ট, সেটা সে বুঝতে পারে। ভালোমতোই বোঝে। কিন্তু কী বা করার আছে তার, বউ-বাচ্চাকে তো দেওয়ার কেউ নেই। তাদের আরেকটা ছেলে আছে, বাবা এখনও কর্মক্ষম, মা পরের বাড়িতে কাজ করেও কিছু পায়। মাসুমাকে কে দেয়? ছেলেটা নিয়ে এখানে একা পড়ে থাকে। এক মজিদ ছাড়া তাদের খোঁজ নেওয়ার তো কেউ নেই। সেটা নিয়ে কিন্তু সমাজের কোনো মাথাব্যথা নেই। কেন নেই মজিদ বোঝে না। তার যে ছোট্ট মাথা! অত কথা, হিসাব-নিকাশ তার মাথায় ঢোকে না। তা আবার ব্যথায় ছিঁড়ে যাচ্ছে।

এদিকে বাবা তো কথাই বলে না মজিদের সঙ্গে। মা যতটুকু বলে ওই বকাবকির ওপর, “নেমকহারাম, শুয়োর! একটা জানোয়ার পেটে থুইছিলাম। কুত্তা!” মা খুব খেপা। পাড়ার লোকজনকে বলে বেড়ায়, “এমন এক পাষণ্ড পেটে ধরছিলাম গো! তাকায়াও দেখে না। এমন পোলা যেন শত্রুরও না অয়।”

এসব গালাগাল অবশ্য মজিদকে শুনতে হয় না। শুনতে হয় মাসুমাকে আর অনাদরে থাকতে হয় ছেলেটাকে। দাদা-দাদির আদর তার পাওয়া হয় না। তারা তাদের বড় ছেলের সন্তানদের খুব আদর করে, পাঁচ আত্মা। মজিদের ছেলেটা কি তাদের নাতি নয়? অর্থ কী অদ্ভুত ব্যাপার! ভালোবাসাতেও তারতম্য ঘটিয়ে দেয়। মজিদের মনে প্রশ্ন জাগে বাবা-মাকে নিয়ে! কিন্তু সে প্রশ্নকে সে পাত্তা দিতে চায় না। তার ভয় হয়, না জানি সে সত্যি সত্যি পাষাণে পরিণত হয়ে গেছে।

ওদিকে মাসুমা প্যাঁচপ্যাঁচ করে চলেছে, মজিদ আর কী বুঝবে? কত কথা সহ্য করে মাসুমাকে থাকতে হয়, তা কেবল সে-ই জানে। তার তো আর শুনতে হয় না!

মজিদ শুনবে কী করে? তার তো বাড়িতেই যাওয়া হয় না। যে কটা টাকা পায় সে বউ-বাচ্চাকে পাঠিয়ে, মেস ভাড়া দিয়ে খেয়েপরে আর কিছুই যে থাকে না হাতে। বাড়ি সে যাবে কীভাবে? ভাড়ার টাকাটাই তো থাকে না। এভাবে দিন যায়, মাস যায়, বাড়ি যাওয়া হয় না মজিদের। ফোনে ফোনে যেটুকু যোগাযোগ, তাও পারিবারিক অন্যায়-অন্যায্য বিষয়াদি নিয়ে বকবক করেই যায়।

এর বাইরে বছর ঘুরে এলে, ঈদের সময় বাসের ছাদে বসে হাফ ভাড়া দিয়ে চলে যায় কোনোমতে। আর কে না জানে এই বাসের ছাদ হলো মৃত্যুফাঁদ! এই করে কত মানুষ যে মারা গেল! কিন্তু তাই কি যাওয়া থেমেছে? থামার কথা? বছর ঘুরে বাড়ি যেতে উদগ্রীব এই মানুষদের কে থামাতে পারে? কে যেন বলেছিল, এই দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় যত মানুষ প্রতি বছর মারা যায়, তত মানুষ কোনো যুদ্ধক্ষেত্রেও মরে না। তাই বোধ হয় ঈদযাত্রাকে অনেকে বলে ‘বাড়ি যাওয়ার যুদ্ধ’।

যুদ্ধ করে বাড়ি গিয়ে মজিদের জীবনে যে সুখ-শান্তির নহর নেমে আসে, তা কিন্তু নয়। বরং যাওয়ার পর থেকেই মায়ের মুখের তিতামিঠা বাক্যের যে নহর নেমে আসে, তাতেই সে ভেসে ভেসে জাহান্নামের অতলে চলে যেতে পারে। বাবা তো কথাই বলে না। বড় ভাইয়ের পরিবার কিছুটা সচ্ছল, তারা দেখেও দেখে না। ফলে একঘরে হয়ে থাকার মতো কয়েকটা দিন কোনোমতে কাটিয়ে ঢাকা ফিরতে চায় মজিদ।

একঘরে হয়ে যে একটু শান্তি মিলবে, তারও জো নেই। না খেতে পেয়েও নাকি সুখ মেলে পরিবারে! সে কোন পরিবার? কোথায় থাকে সেই পরিবার? মজিদের তার সন্ধান জানা নেই। বউ সারাদিন বকবক করছে। এক বছর পর কোথায় একটু আদর-সোহাগ হবে, সেখানে রাজ্যির বকবক! তার মধ্যে ছেলের বোঝার বয়স হয়েছে। বছরে একবার অদ্ভুত লিকলিকে এক পুরুষের সঙ্গে মায়ের ঢলাঢলি সে সহ্য করতে পারে না? নাকি সে লজ্জা পায়, কেমন অপরাধী চেহারা নিয়ে সে পালিয়ে বেড়ায়! মজিদ ডাকলেও কাছেটি ঘেঁষে না।

এই কটা দিন মজিদের মনে হয় শত বছর ধরে যেন সে বাড়িতে বসে আছে। দিন যায় না, রাত যায় না। দাঁত কামড়ে কোনোমতে ছুটির দিন কটা পার করে ঢাকায় ফেরে। শূন্য বুকে, শূন্য হাতে।

ঢাকায় ফিরলেই কি আর বাঁচুয়া? উহু! শুরু হয় অফিসের ঘানি টানা। সেই ঘানি এতটাই ভয়াবহ যে, মজিদের ঘাড়ে কড়া পড়ে যায়। সে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং অযথা একটা ধারচক্রে ঢুকে যায়। ঠান্ডা-কাশি একটু জ্বর হলে একটা নাপা খেলেই হয়ে যায়। কিন্তু হঠাৎ এমন একটা রোগে পড়ে গেলে তো মজিদের মতো মানুষদের খুব অসুবিধা। সর্বময় ক্ষমতার অধীশ্বর তা কি জানে না? তাহলে কেন তাদের এমন অসুখ দেয়?

দিয়েছে ভালো, তাও কলেরা! ধারের মধ্যে পড়েছে। আচ্ছা বুঝলাম, একমাস বউ-বাচ্চাকেও কিছু পাঠাতে পারল না সেভাবে। ধার করে কিছু পাঠিয়েছে, যদিওবা সেটা যৎসামান্য, না বলার মতোই। ধার শোধ করে মেসের টাকায় টানাটানি চলছে, এখন কেন আবার মাথাটা ব্যথায় ছিঁড়ে যেতে হবে?

মেসের মেঝেতে পাড়া নোংরা বিছানায় বসে নিজের মাথাটা চেপে ধরে মজিদ। যে তাকিয়ে থাকতেই পারছে না, সে অফিসে যাবে কীভাবে? অফিসে না গেলে আবার বেতন কাটবে। তাহলে মজিদের মতো মানুষরা যাবে কোথায়? “খোদা, তুমি আমারে এত অসুস্থতার ফুল ক্যান দাও?” মজিদ স্বগতোক্তি করে মাথা চেপে বিছানায় পড়ে যায়।

অঘোরে কিছু সময় কেটে যায়। পড়ে থাকে। কতক্ষণ সে জানে না। হঠাৎ ফোন বেজে ওঠে। ঘোর কেটে যায়। সংজ্ঞা আর সংজ্ঞাহীনতার মাঝামাঝি একটা অচলাবস্থা থেকে সে জেগে ওঠে। হাতে নিয়ে দেখে অফিসের ফোন।

হ্যালো স্যার, সালামালাই...।

কোথায় আপনি?

স্যার, বাসায়।

এখনো বাসায় কেন? চাকরি করার ইচ্ছা নাই? ওকে, এসে রিজাইন দিয়ে যান।

স্যার, ক্ষমা চাই, এখনই আসছি।

ফোন কেটে গেলে কিছুক্ষণ সেভাবেই পড়ে থাকে মজিদ। এত বড় একটা হুমকির পরও তার শরীরে কোনো সাড়া জাগে না। মনে হয় শরীরটার তার কোনো অস্তিত্ব নেই। কী নিয়ে সে দাঁড়াবে? হঠাৎ তার বসের কথা মনে পড়ে, “চাকরি করার ইচ্ছা নাই? ওকে, রিজাইন...”। তখন যেন তার নিরস্তিত্ব কাঠামোর মধ্যে কেউ জোর করে অস্তিত্ব জুড়ে দিতে থাকে। এতটাই অস্তিত্বশীল হয়ে পড়ে সে, উঠতে গিয়ে মনে হয় কেউ তার মাথায় পাহাড় চাপিয়ে দিয়েছে। এ অস্তিত্বের ভার নেওয়া যায় না।

আজকা শুয়োরের বাচ্চারে খুন করুম। মজিদ পাথরের শরীরটা নিয়ে কিচেনে যায়। ব্যাগে পেঁয়াজ কাটার চাকুটা তুলে নিয়ে টলতে টলতে বাসা থেকে বেরিয়ে যায়, “শুয়োরের বাচ্চাকে আজকা আমি খুন করুমই।”

অফিসে ডেস্কে বসে কিছুক্ষণ সে নিজেকে জিরোবার সুযোগ দেয়। ইত্যবসরে এসে হাজির হয় আফজাল সাহেব, “কী সমস্যা আপনার? ফোন করে করে আপনাদের আনতে হবে? অফিস না করতে মন চাইলে রিজাইন দিন। যত সব গরু-ছাগল নিয়া বসছি।”

স্যার, আমার...

ঢুকছেন দেরি করে, এখনো বসে বসে ঘাস কাটছেন? কম্পিউটার খোলার কোনো নাম নাই! কী হবে এদের দিয়ে? এসবগুলারে বাদ দিয়া কোম্পানিই বন্ধ করে দিতে হবে। এভাবে আর কত দিন? কোনো রেসপনসিবিলিটি নাই!

আফজাল সাহেব পুরো অফিস ধরে টান দেন। এতে লাভ হলো, মজিদকে ধরে সবাইকে একটা টাইট দেওয়া হয়ে গেল। দ্বিতীয় সুবিধা হচ্ছে, উদ্দিষ্ট ব্যক্তির ওপর চাপটা বেশি করে দেওয়া গেল, “তোমার জন্য পুরা অফিস কথা শুনছে!”

মজিদ তড়িঘড়ি নিজের কম্পিউটার ওপেন করতে মাথা নিচু করে। অমনি সে মাথা ঘুরিয়ে ধপাস করে পড়ে যায় চেয়ার থেকে। সহকর্মীরা দৌড়াদৌড়ি করে এসে দেখে মজিদের গা পুড়ে যাচ্ছে জ্বরে। মুহূর্তের সিদ্ধান্তে তাকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

ধরা পড়ে ডেঙ্গু। ডেঙ্গুর কবলে সে ভালোভাবে নাজেহাল হয়। শরীরে তো এমনিতেই মাংস নেই, যাওবা ছিল তাও যেন চেঁচেছুলে নিয়ে হাড্ডি কটা রেখে, চামড়ার রঙ ঝলসানো রুটির মতো করে দিয়ে চলে গেছে। অনেকে তো ধরেই নিয়েছিল, মজিদের ডেস্ক বোধহয় অন্য কেউ আলোকিত করবে। অর্থাৎ মজিদের যে অবস্থা হয়েছিল, সেখান থেকে আসলে ফেরার কথা না।

সুস্থ হওয়ার পর অফিসে এসে শুনতে পেল, আফজাল সাহেব তার অসুখের সমস্ত ব্যয়ভার বহন করেছেন। বেশ খুশির সংবাদ। কিন্তু তার পরের সংবাদ হচ্ছে, প্রতি মাসের বেতন থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে কেটে সেই ধার শোধ নেবেন তিনি।

ধরন ও বিষয়:
  • গল্প
  • মেষপালক
  • ছোটগল্প
  • নাগরিক গল্প
  • নগর জীবন
  • মেষপালক সাহিত্য
  • মেষপালক গল্প

লেখাটি কেমন লাগল?

  • ০টি ভালোবাসা
  • এখনও কোনো রেটিং নেই

রাশেদ সাদী

লেখক

রাশেদ সাদী

কবি ও কথাসাহিত্যিক

জন্ম ৯ জানুয়ারি, টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে। বাবা রফিক আহমদ, মা সাজিদা বেগম। প্রকাশিত কবিতাবই ‘আমরা যখন পাখিপাখি খেলি’।

মন্তব্য

মন্তব্য লোড হচ্ছে…